ঢাকার পাড়ার মসজিদে শুক্রবার জুমার পর অনেক বাবা-মা সন্তানকে নিয়ে বসে নামাজ শেখান — এটা বাংলাদেশের একটি সুন্দর ঐতিহ্য। নামাজ শেখা শুধু শরীরের নড়াচড়া নয়; এটি আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর আদব শেখা।
নামাজের প্রস্তুতি
- পবিত্র অবস্থায় থাকুন — প্রয়োজনে গোসল, সাধারণত ওজু
- পরিষ্কার ও ঢেকে রাখা কাপড় পরুন, কিবলামুখী হয়ে দাঁড়ান
- নিয়ত করুন — কোন সালাত, কত রাকাত
- «আল্লাহু আকবার» বলে তাকবীরে তাহরীমা
এক রাকাতের মূল ধাপ
দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহা ও একটি ছোট সূরা পড়ুন, রুকু করুন, সিজদায় যান, দ্বিতীয় সিজদা, তারপর দ্বিতীয় রাকাতে উঠুন। শেষ রাকাতে বসে তাশাহহুদ, দরুদ, দোয়া, সালাম ফেরান।
رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
Rabbana atina fid-dunya hasanatan wa fil-akhirati hasanatan wa qina 'adhaban-nar
হে আমাদের রব! দুনিয়া ও আখিরাতে আমাদের কল্যাণ দিন এবং আমাদের জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা করুন।
(সূরা বাকারা ২:২০১)
পাঁচ ওয়াক্তের সংক্ষিপ্ত তথ্য
- ফজর — ২ ফরজ (সুন্নত আলাদা), ভোরের আলো ফুটার আগ
- যোহর — ৪ রাকাত, দুপুর; গ্রীষ্মে ঢাকায় প্রায় দুপুর ১২:১৫
- আসর — ৪ রাকাত, বিকেল
- মাগরিব — ৩ রাকাত, সূর্যাস্তের পর; ইফতারের সময়
- এশা — ৪ রাকাত, রাত
শিশুদের শেখানোর পরামর্শ
সাত বছর থেকে নামাজের প্রতি উৎসাহ দিন, দশ বছরে নরমভাবে বাধ্যতামূলক করুন — হাদিসের নির্দেশ। সিলেট বা চট্টগ্রামের গ্রামে অনেক পরিবার মেঝেতে চট দিয়ে কিবলার দিক চিহ্নিত করে শেখায়।
নিশ্চয় সালাত মুমিনদের উপর নির্ধারিত সময়ে ফরজ।