বাংলাদেশের গ্রামে নদী-খালের পাশে ওজু করা একটি পরিচিত দৃশ্য — সকালে ফজর, দুপুরে যোহর, বিকেলে আসর। শহরে অনেকেই বাড়ির ট্যাপ বা মসজিদের ওজুখানায় ওজু করেন। সঠিক ওজু নামাজের ভিত্তি।
ওজুর চারটি ফরজ
- মুখমণ্ডল ধোয়া — চিবুকের নিচ পর্যন্ত
- দুই হাত কনুই পর্যন্ত ধোয়া
- মাথার চার ভাগ মাসাহ (একবার)
- দুই পা গোড়ালি পর্যন্ত ধোয়া
ওজুর সুন্নতি ক্রম
নিয়ত করে «বিসমিল্লাহ» বলুন, হাত ধুয়ে, কুলি-নাক পরিষ্কার, মুখমণ্ডল, হাত, মাথায় মাসাহ, কান, পা — এই ক্রমে। প্রতিটি অংশ তিনবার ধোয়া সুন্নত।
أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ
Ash-hadu an la ilaha illallahu wahdahu la sharika lah, wa ash-hadu anna Muhammadan 'abduhu wa rasuluh
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক; এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছি।
(ওজুর পর দোয়া)
সাধারণ ভুল
- চিবুক ভুলে যাওয়া বা আংশিক ধোয়া
- গোড়ালি ছাড়া পা ধোয়া
- ওজুর মাঝে ফোনে কথা বলা — মনোযোগ হারানো
- পানি অপচয় — নদী হলেও সচেতনতা
পানি না থাকলে
বন্যা বা খরাপ্রবণ এলাকায় পানি না থাকলে তায়াম্মুম — পরিষ্কার মাটি বা পাথরে হাত মেরে মুখমণ্ডল ও হাত মাসাহ করা। চর-এলাকায় ইমামরা প্রায়ই তায়াম্মুম শেখান।
নিশ্চয় আল্লাহ ভালোবাসেন যারা বারবার পবিত্রতা অর্জন করে।